অনেক সময় মানুষ সারাদিন ক্লান্তি ও ঘুমঘুম ভাব অনুভব করেন। তবে কাজের ধকল ছাড়াও এর পেছনে থাকতে পারে শরীরের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যগত কিছু সমস্যা। পুষ্টি বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ ও প্রতিকার উল্লেখ করা হয়েছে।
লৌহের ঘাটতি: বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও পিরিয়ড চলাকালীন মেয়েদের মধ্যে লৌহের অভাব সাধারণ। লৌহের ঘাটতি শরীরকে শক্তিহীন করে, যার ফলে সারাদিন ক্লান্তি ভাব বেশি থাকে। এজন্য লাল মাংস, সবুজ শাক-সবজি, ডাল ও বাদাম খাওয়া প্রয়োজন। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার সঙ্গে খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়।
ঘুমের অভাব: পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সারাদিন ঘুমঘুম ভাব অব্যাহত থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যাবশ্যক।
অতিরিক্ত শরীরচর্চা: হঠাৎ অনেকক্ষণ বা ভারী ব্যায়াম করলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই ধীরে ধীরে ব্যায়াম বাড়ানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সামঞ্জস্যহীন খাদ্যাভ্যাস: এক ধরনের খাবারে নির্ভরতা বা স্বাস্থ্যকর খাবার কম খেলে শরীর শক্তিহীন হয়ে পড়ে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রাম নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন।
পানিশূন্যতা: শরীরে পানি কম থাকলেও ক্লান্তি দেখা দেয়। ফলে মাথাব্যথা, দুর্বলতা ও অবসাদও দেখা দিতে পারে। দৈনিক ৮–১০ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বয়স ও শক্তি খরচ: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শক্তি খরচও বাড়ে। তাই শক্তি খরচ অনুযায়ী খাবার না নিলে অল্পতেই ক্লান্তি অনুভূত হয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, যদি সারাদিন ক্লান্তি বা ঘুমঘুম ভাব নিয়মিত হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ অনেক সময় এটি ভয়ংকর কোনো অসুখের প্রাথমিক সংকেতও হতে পারে।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।